ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সহশিক্ষা সমাজ পচনের কারণ: তালেবান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৫০৬ বার পড়া হয়েছে

আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে সরকারি ও বেসরকারি সব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে পড়াশোনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তালেবান। পাশাপাশি এটিকে ‘সমাজে পচন ধরার মূল’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এর ফলে প্রদেশটিতে এখন থেকে আর একসঙ্গে পড়াশোনা করতে পারবেন না ছাত্রছাত্রীরা।

শনিবার (২১ আগস্ট) প্রেস নিউজ এজেন্সি খামা জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বেসরকারি ইন্সটিটিউটগুলোর মালিক এবং তালেবান কর্তৃপক্ষের মধ্যকার অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ তিন ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে আফগানিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রধান এবং তালেবান প্রতিনিধি মোল্লা ফরিদ বলেন, সহশিক্ষা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং এটা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

সমাজে পচন ধরার মূলেই রয়েছে সহশিক্ষা কার্যক্রম। তাই এটা বন্ধ করতেই হবে। নারী শিক্ষার্থীদের পড়াবেন কেবল নারী শিক্ষকরাই। আবার কোনো ছেলেকে তারা পড়াতে পারবেন না। ছেলেদের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষ শিক্ষকরা পাঠদান করবেন।

কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, হেরাত প্রদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার শিক্ষার্থী ও ২ হাজার লেকচারার রয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমস ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সহশিক্ষা সমাজ পচনের কারণ: তালেবান

আপডেট সময় : ১১:১৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে সরকারি ও বেসরকারি সব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে পড়াশোনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তালেবান। পাশাপাশি এটিকে ‘সমাজে পচন ধরার মূল’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এর ফলে প্রদেশটিতে এখন থেকে আর একসঙ্গে পড়াশোনা করতে পারবেন না ছাত্রছাত্রীরা।

শনিবার (২১ আগস্ট) প্রেস নিউজ এজেন্সি খামা জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বেসরকারি ইন্সটিটিউটগুলোর মালিক এবং তালেবান কর্তৃপক্ষের মধ্যকার অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ তিন ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে আফগানিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রধান এবং তালেবান প্রতিনিধি মোল্লা ফরিদ বলেন, সহশিক্ষা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং এটা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

সমাজে পচন ধরার মূলেই রয়েছে সহশিক্ষা কার্যক্রম। তাই এটা বন্ধ করতেই হবে। নারী শিক্ষার্থীদের পড়াবেন কেবল নারী শিক্ষকরাই। আবার কোনো ছেলেকে তারা পড়াতে পারবেন না। ছেলেদের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষ শিক্ষকরা পাঠদান করবেন।

কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, হেরাত প্রদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার শিক্ষার্থী ও ২ হাজার লেকচারার রয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমস ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস