ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় ইউরোপে ফেব্রুয়ারির মধ্যে মৃত্যু হতে পারে ৫ লাখ : ডব্লিউএইচও

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে ইউরোপে। ভাইরাসটির প্রকোপ এই গতিতে বাড়তে থাকলে আশঙ্কা করা হচ্ছে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে মহাদেশটিতে আরো পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় জার্মানিতে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষ করোনায় শনাক্ত হওয়ার পর ডব্লিউএইচও তরফ থেকে এ সতর্কবার্তা প্রকাশিত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) ডব্লিউএইচও’র ইউরোপীয় প্রধান হ্যান্স ক্লুজ জানান, ভ্যাকিসিন না নেওয়া হলো করোনার প্রকোপ পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ। ভাইরাসটির বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে আমাদের। নতুন করে সংক্রমণ শুরুর প্রাথমিক পর্যায় থেকেই তা প্রতিহত করতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

হ্যান্স ক্লুজ অভিযোগ করে বলেন, জনস্বাস্থ্য নিয়ে এক ধরনের শিথিলতা ইউরোপ জুড়ে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর ফলে ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার ৫৩টি দেশে ভাইরাসের সংক্রমণ আবারো বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ডব্লিউএইচও’র কোভিড-১৯ বিষয়ক প্রধান মারিয়া ভ্যান কেরখোভ বলেন, টিকা এবং সরঞ্জামের প্রচুর সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও গত চার সপ্তাহে ইউরোপজুড়ে করোনা সংক্রমণের হার ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

করোনায় ইউরোপে ফেব্রুয়ারির মধ্যে মৃত্যু হতে পারে ৫ লাখ : ডব্লিউএইচও

আপডেট সময় : ১১:২০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে ইউরোপে। ভাইরাসটির প্রকোপ এই গতিতে বাড়তে থাকলে আশঙ্কা করা হচ্ছে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে মহাদেশটিতে আরো পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় জার্মানিতে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষ করোনায় শনাক্ত হওয়ার পর ডব্লিউএইচও তরফ থেকে এ সতর্কবার্তা প্রকাশিত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) ডব্লিউএইচও’র ইউরোপীয় প্রধান হ্যান্স ক্লুজ জানান, ভ্যাকিসিন না নেওয়া হলো করোনার প্রকোপ পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ। ভাইরাসটির বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে আমাদের। নতুন করে সংক্রমণ শুরুর প্রাথমিক পর্যায় থেকেই তা প্রতিহত করতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

হ্যান্স ক্লুজ অভিযোগ করে বলেন, জনস্বাস্থ্য নিয়ে এক ধরনের শিথিলতা ইউরোপ জুড়ে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর ফলে ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার ৫৩টি দেশে ভাইরাসের সংক্রমণ আবারো বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ডব্লিউএইচও’র কোভিড-১৯ বিষয়ক প্রধান মারিয়া ভ্যান কেরখোভ বলেন, টিকা এবং সরঞ্জামের প্রচুর সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও গত চার সপ্তাহে ইউরোপজুড়ে করোনা সংক্রমণের হার ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।