ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে চাকরি হারাতে পারেন ১ দশমিক ৩ কোটি মানুষ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৬২৩ বার পড়া হয়েছে

চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর ফলে বাংলাদেশের ১ দশমিক ৩ কোটি মানুষ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষ করে, অস্থায়ী কিংবা খণ্ডকালীন কর্মসংস্থানের সাথে নিয়োজিত মানুষেরাই এই ঝুঁকিতে পড়েছেন।

এ অবস্থায় দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং নাগরিকদের কর্মসংস্থানসহ অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়ায় টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) কাঠামোকে অবলম্বন করে সরকারের অগ্রসর হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ-এর আয়োজনে এসডিজি’র নতুন চ্যালেঞ্জ ও বাজেট ২০২০-২১ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংলাপে এ সকল পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এসডিজি প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং সিপিডি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান সংলাপে সভাপতিত্ব করেন।

এসডিজি প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এ সংলাপে মূল প্রতিবেদন উপস্থান করেন। এসময় তিনি বলেন, ২০১৬-১৭ শ্রমশক্তি জরিপের উপাত্ত পর্যালোচনা করে এই প্রাক্কলন করা হচ্ছে। বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় নিলে কর্ম হারানোর ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা আরো বাড়বে। এক্ষেত্রে দেশের পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছেন। চলমান অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার একটি বিশেষ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বিবেচনা করতে পারে।

একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে পর্যায়ক্রমিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চলমান সংকট থেকে পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম গ্রহণ জরুরি। অতিমারির ফলে সৃষ্ট নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এসডিজি কাঠামোকে বিশেষভাবে সন্নিবদ্ধ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে দেশের পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে বিশেষ নজর জরুরি।

সংলাপে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম। তিনি বলেন, চলমান অতিমারি থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে সরকার একটি স্বল্পমেয়াদী কার্যক্রম হাতে নেবে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাসহ সকল উন্নয়ন কার্যক্রমেই সরকার দেশের ঝুঁকিতে থাকা সকল নাগরিকদের সহযোগিতা প্রদানের ব্যাপারটি বিবেচনায় রাখবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে চাকরি হারাতে পারেন ১ দশমিক ৩ কোটি মানুষ

আপডেট সময় : ১১:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর ফলে বাংলাদেশের ১ দশমিক ৩ কোটি মানুষ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষ করে, অস্থায়ী কিংবা খণ্ডকালীন কর্মসংস্থানের সাথে নিয়োজিত মানুষেরাই এই ঝুঁকিতে পড়েছেন।

এ অবস্থায় দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং নাগরিকদের কর্মসংস্থানসহ অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়ায় টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) কাঠামোকে অবলম্বন করে সরকারের অগ্রসর হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ-এর আয়োজনে এসডিজি’র নতুন চ্যালেঞ্জ ও বাজেট ২০২০-২১ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংলাপে এ সকল পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এসডিজি প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং সিপিডি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান সংলাপে সভাপতিত্ব করেন।

এসডিজি প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এ সংলাপে মূল প্রতিবেদন উপস্থান করেন। এসময় তিনি বলেন, ২০১৬-১৭ শ্রমশক্তি জরিপের উপাত্ত পর্যালোচনা করে এই প্রাক্কলন করা হচ্ছে। বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় নিলে কর্ম হারানোর ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা আরো বাড়বে। এক্ষেত্রে দেশের পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছেন। চলমান অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার একটি বিশেষ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বিবেচনা করতে পারে।

একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে পর্যায়ক্রমিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চলমান সংকট থেকে পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম গ্রহণ জরুরি। অতিমারির ফলে সৃষ্ট নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এসডিজি কাঠামোকে বিশেষভাবে সন্নিবদ্ধ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে দেশের পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে বিশেষ নজর জরুরি।

সংলাপে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম। তিনি বলেন, চলমান অতিমারি থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে সরকার একটি স্বল্পমেয়াদী কার্যক্রম হাতে নেবে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাসহ সকল উন্নয়ন কার্যক্রমেই সরকার দেশের ঝুঁকিতে থাকা সকল নাগরিকদের সহযোগিতা প্রদানের ব্যাপারটি বিবেচনায় রাখবে।