ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮৬ বছর পর হাজিয়া সোফিয়া থেকে ভেসে এলো আজানের ধ্বনি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত দেশটির বিখ্যাত জাদুঘর হাজিয়া সোফিয়ায় আজান দেওয়া হয়েছে। এর আগে ওই জাদুঘরটি মসজিদে রুপান্তর সংক্রান্ত একটি ডিক্রিতে সই করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।

সাবেক এই গির্জাকে জাদুঘরে পরিণত করার সিদ্ধান্ত ঠিক ছিল না বলে সম্প্রতি রায় দিয়েছে তুর্কী আদালত। ওই রায়ের পরই সেখানে আজান দেওয়া হয়।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেড় হাজার বছরের পুরোনো হাজিয়া সোফিয়া এক সময় ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় গির্জা। পরে তা পরিণত হয় মসজিদে। এরপরেই একে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়।

এদিকে, তুর্কি আদালতের এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়ার অর্থোডক্স চার্চ। রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এক ঘোষণা বলেন, আদালতের রায়ের পর নামাজ পড়ার জন্য হাজিয়া সোফিয়াকে খুলে দেয়া হবে।

এক টুইট বার্তায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানান, হাজিয়া সোফিয়ার সম্পত্তি ‘দিয়ামাত’ বা তুর্কী ধর্মীয় বিষয়ক দফতরের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপরই সেখানে কয়েক দশক পর প্রথমবারের মত আজান দেওয়া হলো।

দেড় হাজার বছর পূর্বে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান গির্জা হিসেবে হাজিয়া সোফিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়। কয়েক শতাব্দী পর অটোমান শাসকরা এটিকে মসজিদে রুপান্তরিত করেন। এরপর ১৯৩৪ সালে এটি জাদুঘরে পরিণত হয়। বর্তমানে এটি ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত।

তুরস্কের ইসলামপন্থীরা দীর্ঘদিন ধরে এটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করার দাবি জানালেও ধর্মনিরপেক্ষ লোকজন এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

৮৬ বছর পর হাজিয়া সোফিয়া থেকে ভেসে এলো আজানের ধ্বনি

আপডেট সময় : ১১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত দেশটির বিখ্যাত জাদুঘর হাজিয়া সোফিয়ায় আজান দেওয়া হয়েছে। এর আগে ওই জাদুঘরটি মসজিদে রুপান্তর সংক্রান্ত একটি ডিক্রিতে সই করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।

সাবেক এই গির্জাকে জাদুঘরে পরিণত করার সিদ্ধান্ত ঠিক ছিল না বলে সম্প্রতি রায় দিয়েছে তুর্কী আদালত। ওই রায়ের পরই সেখানে আজান দেওয়া হয়।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেড় হাজার বছরের পুরোনো হাজিয়া সোফিয়া এক সময় ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় গির্জা। পরে তা পরিণত হয় মসজিদে। এরপরেই একে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়।

এদিকে, তুর্কি আদালতের এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়ার অর্থোডক্স চার্চ। রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এক ঘোষণা বলেন, আদালতের রায়ের পর নামাজ পড়ার জন্য হাজিয়া সোফিয়াকে খুলে দেয়া হবে।

এক টুইট বার্তায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানান, হাজিয়া সোফিয়ার সম্পত্তি ‘দিয়ামাত’ বা তুর্কী ধর্মীয় বিষয়ক দফতরের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপরই সেখানে কয়েক দশক পর প্রথমবারের মত আজান দেওয়া হলো।

দেড় হাজার বছর পূর্বে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান গির্জা হিসেবে হাজিয়া সোফিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়। কয়েক শতাব্দী পর অটোমান শাসকরা এটিকে মসজিদে রুপান্তরিত করেন। এরপর ১৯৩৪ সালে এটি জাদুঘরে পরিণত হয়। বর্তমানে এটি ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত।

তুরস্কের ইসলামপন্থীরা দীর্ঘদিন ধরে এটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করার দাবি জানালেও ধর্মনিরপেক্ষ লোকজন এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছেন।