ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সার্জেন্ট চাঁদপুরের জিয়াউলের মৃত্যু

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৫০৬ বার পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সার্জেন্ট বাংলাদেশের জিয়াউল আহছান।

তিনি চাঁদপুর শহরের হাজী মহসীন রোডের বাগ-এ-আহছান নামক বাড়ির ছেলে। তার বাবা ভাষাসৈনিক মরহুম অ্যাডভোকেট এ এফ এম ফজলুল হক।

নিউইয়র্কে জিয়াউল আহসানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাই সুফিয়ান আহসান।

তিনি জানিয়েছেন, ২৫ দিন ধরে প্রাণঘাতী করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করে রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় জিয়াউল আহছান মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২ এপ্রিল থেকে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর শহরের গনি মডেল হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন জিয়াউল আহসান। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

করোনায় নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সার্জেন্ট চাঁদপুরের জিয়াউলের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সার্জেন্ট বাংলাদেশের জিয়াউল আহছান।

তিনি চাঁদপুর শহরের হাজী মহসীন রোডের বাগ-এ-আহছান নামক বাড়ির ছেলে। তার বাবা ভাষাসৈনিক মরহুম অ্যাডভোকেট এ এফ এম ফজলুল হক।

নিউইয়র্কে জিয়াউল আহসানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাই সুফিয়ান আহসান।

তিনি জানিয়েছেন, ২৫ দিন ধরে প্রাণঘাতী করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করে রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় জিয়াউল আহছান মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২ এপ্রিল থেকে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর শহরের গনি মডেল হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন জিয়াউল আহসান। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।