ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের মহীসোপানের দাবিতে ভারতের আপত্তি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • ৪১১ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের মহীসোপানের দাবির বিষয়ে জাতিসংঘে আপত্তি তুলেছে ভারত। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণসংক্রান্ত কমিশনে (সিএলসিএস) এই আপত্তি জানায় তারা।

বাংলাদেশ ২০১১ সালে জাতিসংঘে মহীসোপানের দাবিতে আবেদন করে। সেটা নিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত বছর বাংলাদেশ সংশোধনীও দিয়েছিল। এখন ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি করা মহীসোপানে তাদেরও একটি অংশ রয়েছে।

শুক্ররার জাতিসংঘের সিএলসিএস ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ভারতের আপত্তিপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ভূখণ্ডের যে বেসলাইনের ওপর ভিত্তি করে মহীসোপান নির্ধারণ করেছে, সেটির মাধ্যমে ভারতের মহীসোপানের একটি অংশ দাবি করছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরে যে ‘গ্রে এরিয়া’ রয়েছে, সেটির বিষয়ে বাংলাদেশ কোনো তথ্য দেয়নি। ‘গ্রে এরিয়া’ হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে একটি ছোট অংশ, যেখানে পানির মধ্যে যে সম্পদ রয়েছে, যেমন মাছ, সেটির মালিক ভারত; কিন্তু মাটির নিচে যে খনিজ পদার্থ আছে সেটির মালিক বাংলাদেশ। এই অংশের পরিমাণ প্রায় ৯০০ বর্গকিলোমিটার।

এ বিষয়ে শনিবার (১৭ এপ্রিল) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন গণমাধ্যকে জানিয়েছেন, জাতিসংঘে এটা একটা স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ প্রথমে আবেদন করেছে, আর ভারত আপত্তি দিয়েছে। আবার বাংলাদেশ তার জবাব দেবে। এভাবেই এটার নিষ্পত্তি হয়। আপত্তি-পাল্টা আপত্তি একটা রুটিন প্রক্রিয়া। এটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের মহীসোপানের দাবিতে ভারতের আপত্তি

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের মহীসোপানের দাবির বিষয়ে জাতিসংঘে আপত্তি তুলেছে ভারত। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণসংক্রান্ত কমিশনে (সিএলসিএস) এই আপত্তি জানায় তারা।

বাংলাদেশ ২০১১ সালে জাতিসংঘে মহীসোপানের দাবিতে আবেদন করে। সেটা নিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত বছর বাংলাদেশ সংশোধনীও দিয়েছিল। এখন ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি করা মহীসোপানে তাদেরও একটি অংশ রয়েছে।

শুক্ররার জাতিসংঘের সিএলসিএস ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ভারতের আপত্তিপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ভূখণ্ডের যে বেসলাইনের ওপর ভিত্তি করে মহীসোপান নির্ধারণ করেছে, সেটির মাধ্যমে ভারতের মহীসোপানের একটি অংশ দাবি করছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরে যে ‘গ্রে এরিয়া’ রয়েছে, সেটির বিষয়ে বাংলাদেশ কোনো তথ্য দেয়নি। ‘গ্রে এরিয়া’ হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে একটি ছোট অংশ, যেখানে পানির মধ্যে যে সম্পদ রয়েছে, যেমন মাছ, সেটির মালিক ভারত; কিন্তু মাটির নিচে যে খনিজ পদার্থ আছে সেটির মালিক বাংলাদেশ। এই অংশের পরিমাণ প্রায় ৯০০ বর্গকিলোমিটার।

এ বিষয়ে শনিবার (১৭ এপ্রিল) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন গণমাধ্যকে জানিয়েছেন, জাতিসংঘে এটা একটা স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ প্রথমে আবেদন করেছে, আর ভারত আপত্তি দিয়েছে। আবার বাংলাদেশ তার জবাব দেবে। এভাবেই এটার নিষ্পত্তি হয়। আপত্তি-পাল্টা আপত্তি একটা রুটিন প্রক্রিয়া। এটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই।