ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডব্লিউএইচও সদর দপ্তরে ৬৫ কর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সদর দপ্তরে সোমবার পর্যন্ত ৬৫ কর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা এপির এক খবরে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচওর অভ্যন্তরীণ এক ইমেইলে এই তথ্য জানা গেছে। আক্রান্তদের অর্ধেকই বাসা থেকে কাজ করা কর্মকর্তা ও কর্মচারী। বাকি ৩২ জন সদর দপ্তরের মধ্যে কাজ করছিলেন। আক্রান্তরা বর্তমানে আইসোলেশনে থেকে চিকিত্সা নিচ্ছেন। খবরে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী কীভাবে আক্রান্ত হয়েছেন তা জানতে তদন্ত হচ্ছে। সংস্থাটির জরুরিবিষয়ক প্রধান ডা. মাইকেল রায়ান বলেন, ক্লাস্টার নিয়ে তদন্ত চলছে। সদর দপ্তরে দুই হাজারের বেশি লোক কাজ করে। সংক্রমণ মোকাবিলায় কঠোর পরীক্ষা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, তার কার্যালয়ে বেশ কিছু কর্মী আক্রান্ত হলেও তিনি করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন দেখছেন না।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে কোয়ারেন্টাইন মেয়াদ সম্পন্ন করেছেন এবং তার মধ্যে কোনো লক্ষণ নেই। অন্যদিকে তিনি বলেন, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার খবর খুবই উৎসাহব্যঞ্জক; কিন্তু খুব শিগিগরই এই ভ্যাকসিন আসার সম্ভাবনা কম। যে কারণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে করোনা মহামারির অবসান হবে না।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

ডব্লিউএইচও সদর দপ্তরে ৬৫ কর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সদর দপ্তরে সোমবার পর্যন্ত ৬৫ কর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা এপির এক খবরে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচওর অভ্যন্তরীণ এক ইমেইলে এই তথ্য জানা গেছে। আক্রান্তদের অর্ধেকই বাসা থেকে কাজ করা কর্মকর্তা ও কর্মচারী। বাকি ৩২ জন সদর দপ্তরের মধ্যে কাজ করছিলেন। আক্রান্তরা বর্তমানে আইসোলেশনে থেকে চিকিত্সা নিচ্ছেন। খবরে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী কীভাবে আক্রান্ত হয়েছেন তা জানতে তদন্ত হচ্ছে। সংস্থাটির জরুরিবিষয়ক প্রধান ডা. মাইকেল রায়ান বলেন, ক্লাস্টার নিয়ে তদন্ত চলছে। সদর দপ্তরে দুই হাজারের বেশি লোক কাজ করে। সংক্রমণ মোকাবিলায় কঠোর পরীক্ষা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, তার কার্যালয়ে বেশ কিছু কর্মী আক্রান্ত হলেও তিনি করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন দেখছেন না।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে কোয়ারেন্টাইন মেয়াদ সম্পন্ন করেছেন এবং তার মধ্যে কোনো লক্ষণ নেই। অন্যদিকে তিনি বলেন, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার খবর খুবই উৎসাহব্যঞ্জক; কিন্তু খুব শিগিগরই এই ভ্যাকসিন আসার সম্ভাবনা কম। যে কারণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে করোনা মহামারির অবসান হবে না।