ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন করে জরুরী নির্দেশনা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩
  • ৪৭১ বার পড়া হয়েছে

বিভাগীয় প্রধানের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী গণমাধ্যমে কথা বলতে কিংবা কোনো নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারবেন না।

সম্প্রতি সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯- এ থাকা এমন নিয়ম মনে করিয়ে দিয়ে তা মানার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব বা সিনিয়র সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯- এর বিধি ২২ এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো কোনো সরকারি কর্মচারী বিভাগীয় প্রধানের পূর্বানুমোদন ছাড়া কিংবা প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যম যথা- বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলের সংবাদ, টকশো, আলোচনা অনুষ্ঠান, পত্র-পত্রিকা বা অনলাইন মাধ্যমে বক্তব্য বা মতামত বা নিবন্ধ বা পত্র প্রকাশ করছেন। সরকারের নীতি-নির্ধারণী অনেক বিষয়ে তারা বক্তব্য বা মতামত প্রদান করছেন।

বেতার টেলিভিশন সম্প্রচারে অংশগ্রহণ এবং সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯- এর বিধি-২২ এর বিধান তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে।

বিধিমালার ওই বিধিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী বিভাগীয় প্রধানের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া কিংবা প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ছাড়া বেতার কিংবা টেলিভিশন সম্প্রচারে অংশগ্রহণ করতে অথবা কোনো সংবাদপত্র বা সাময়িকীতে নিজ নামে অথবা বেনামে অথবা অন্যের নামে কোনো নিবন্ধ বা পত্র লিখতে পারবেন না। তবে সাধারণত অনুমোদন দেয়া হবে যদি এই সম্প্রচার বা নিবন্ধ বা পত্র সরকারি কর্মচারীর ন্যায়পরায়ণতা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা অথবা বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না করে অথবা জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতার বিঘ্ন না ঘটায় অথবা আদালত অবমাননা, অপবাদ বা অপরাধ সংগঠনের প্ররোচনা হিসেবে গণ্য না হয়। যদি এই সম্প্রচার নিবন্ধ বা পত্র সম্পূর্ণরূপে শিল্প-সাহিত্যধর্মী অথবা বিজ্ঞানভিত্তিক অথবা ক্রীড়া সম্পর্কিত হয় তবে পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন হবে না।

একই সঙ্গে এই সম্প্রচার বা অংশগ্রহণ বিভাগের কমিশনার অথবা জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার উদ্দেশ্যে হয় তাহলে বিভাগীয় প্রধানের পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন হবে না বলেও বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ অবস্থায় সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯- এর বিধি-২২ অনুসরণ করার জন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং অধীন অধিদফতর/পরিদফতর/দফতর/ সংস্থার কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়ার জন্য সচিবদের অনুরোধ জানানো হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন করে জরুরী নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৫:০১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩

বিভাগীয় প্রধানের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী গণমাধ্যমে কথা বলতে কিংবা কোনো নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারবেন না।

সম্প্রতি সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯- এ থাকা এমন নিয়ম মনে করিয়ে দিয়ে তা মানার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব বা সিনিয়র সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯- এর বিধি ২২ এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো কোনো সরকারি কর্মচারী বিভাগীয় প্রধানের পূর্বানুমোদন ছাড়া কিংবা প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যম যথা- বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলের সংবাদ, টকশো, আলোচনা অনুষ্ঠান, পত্র-পত্রিকা বা অনলাইন মাধ্যমে বক্তব্য বা মতামত বা নিবন্ধ বা পত্র প্রকাশ করছেন। সরকারের নীতি-নির্ধারণী অনেক বিষয়ে তারা বক্তব্য বা মতামত প্রদান করছেন।

বেতার টেলিভিশন সম্প্রচারে অংশগ্রহণ এবং সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯- এর বিধি-২২ এর বিধান তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে।

বিধিমালার ওই বিধিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী বিভাগীয় প্রধানের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া কিংবা প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ছাড়া বেতার কিংবা টেলিভিশন সম্প্রচারে অংশগ্রহণ করতে অথবা কোনো সংবাদপত্র বা সাময়িকীতে নিজ নামে অথবা বেনামে অথবা অন্যের নামে কোনো নিবন্ধ বা পত্র লিখতে পারবেন না। তবে সাধারণত অনুমোদন দেয়া হবে যদি এই সম্প্রচার বা নিবন্ধ বা পত্র সরকারি কর্মচারীর ন্যায়পরায়ণতা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা অথবা বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না করে অথবা জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতার বিঘ্ন না ঘটায় অথবা আদালত অবমাননা, অপবাদ বা অপরাধ সংগঠনের প্ররোচনা হিসেবে গণ্য না হয়। যদি এই সম্প্রচার নিবন্ধ বা পত্র সম্পূর্ণরূপে শিল্প-সাহিত্যধর্মী অথবা বিজ্ঞানভিত্তিক অথবা ক্রীড়া সম্পর্কিত হয় তবে পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন হবে না।

একই সঙ্গে এই সম্প্রচার বা অংশগ্রহণ বিভাগের কমিশনার অথবা জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার উদ্দেশ্যে হয় তাহলে বিভাগীয় প্রধানের পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন হবে না বলেও বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ অবস্থায় সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯- এর বিধি-২২ অনুসরণ করার জন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং অধীন অধিদফতর/পরিদফতর/দফতর/ সংস্থার কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়ার জন্য সচিবদের অনুরোধ জানানো হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে।