ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীলংকার বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৪৬৩ বার পড়া হয়েছে

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়ানডে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ। এটি লঙ্কানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়। ওডিআই সুপার লিগের প্রথম ওয়ানডের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও দাপট দেখিয়েছে টাইগাররা।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৮.১ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ২৪৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৮ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৬ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

পরে বৃষ্টি আইনে ৪০ ওভারে শ্রীলঙ্কার নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৫ রান। কিন্তু শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেটে ১৪১ রান তুলতে পারে। ফলে ১০৩ রানের বিশাল জয় পায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের হয়ে মুশফিকুর রহিম সর্বোচ্চ ১২৫ রান করেন। বল হাতে মেহেদি হাসান মিরাজ ও মুস্তাফিজুর রহমান তিনটি করে উইকেট দিয়েছেন।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানকে হারায় স্বাগতিকরা। দলীয় রান ৫০ ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফিরেন লিটন দাস। এরপর ১০ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মোসাদ্দেকও। এর পর দলের হাল ধরেন মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। দুই ভায়েরা মিলে ৮৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। কিন্তু নিজের ইনিংসকে লম্বা করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। ব্যক্তিগত ৪১ রান করে তিনি আউট হন। এর পর দ্রুত ফিরে গেছেন আফিফ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে প্রথম ম্যাচে ১৬ রানের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফিরলেও দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিককে হতাশ হতে হয়নি। তুলে নিয়েছেন নিজের অষ্টম সেঞ্চুরি। আউট হওয়ার আগে তিনি ১২৭ বলে ১২৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

২৪৭ রানের লক্ষে খেলতে নেমে শুরুতে শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক কুশল পেরেরাকে সাজঘরে পাঠিয়ে ক্যারিয়ারের অভিষেক উইকেট পান শরিফুল ইসলাম। মোস্তাফিজের অফের বল ডিপ অনে স্কয়ার কাট করতে গিয়ে দ্বিতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মোস্তাফিজের বলে সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান দানুশকা গুনাথিলাকা। সাকিবের প্রথম শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন পাথুম নিসানকা। চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন লঙ্কান সহ-অধিনায়ক কুসল মেন্ডিস। মেহেদী হাসান মিরাজের বল মেন্ডিসের প্যাডে আঘাত করে। ফিল্ডারদের জোড়ালো আবেদনে আউট দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েছিলেন মেন্ডিস। কিন্তু পাল্টায়নি সিদ্ধান্ত। সাকিবের যাদুকরী ঘূর্ণিতে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হওয়ার আগে মাত্র ৬ রান করেন ধনাঞ্জয়া। ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন দাসুন শানাকা। মেহেদী হাসান মিরাজের বল সুইপ করে ছক্কা মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন শানাকা। প্রথম ম্যাচে বড় ইনিংস খেলতেও দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যর্থ হলেন ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা। মিরাজের তৃতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন হাসারঙ্গা। হাসারঙ্গার পর দ্রুত অষ্টম উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মুস্তাফিজের বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন আশেন বান্দারা। এর পর শ্রীলঙ্কা শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন মুস্তাফিজুর রহমান। তামিম ইকবালের হাতে ক্যাচ দিয়ে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন লাকসান সান্দাক্যান। এর পর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলংকার বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়

আপডেট সময় : ১১:১৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়ানডে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ। এটি লঙ্কানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়। ওডিআই সুপার লিগের প্রথম ওয়ানডের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও দাপট দেখিয়েছে টাইগাররা।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৮.১ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ২৪৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৮ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৬ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

পরে বৃষ্টি আইনে ৪০ ওভারে শ্রীলঙ্কার নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৫ রান। কিন্তু শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেটে ১৪১ রান তুলতে পারে। ফলে ১০৩ রানের বিশাল জয় পায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের হয়ে মুশফিকুর রহিম সর্বোচ্চ ১২৫ রান করেন। বল হাতে মেহেদি হাসান মিরাজ ও মুস্তাফিজুর রহমান তিনটি করে উইকেট দিয়েছেন।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানকে হারায় স্বাগতিকরা। দলীয় রান ৫০ ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফিরেন লিটন দাস। এরপর ১০ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মোসাদ্দেকও। এর পর দলের হাল ধরেন মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। দুই ভায়েরা মিলে ৮৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। কিন্তু নিজের ইনিংসকে লম্বা করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। ব্যক্তিগত ৪১ রান করে তিনি আউট হন। এর পর দ্রুত ফিরে গেছেন আফিফ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে প্রথম ম্যাচে ১৬ রানের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফিরলেও দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিককে হতাশ হতে হয়নি। তুলে নিয়েছেন নিজের অষ্টম সেঞ্চুরি। আউট হওয়ার আগে তিনি ১২৭ বলে ১২৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

২৪৭ রানের লক্ষে খেলতে নেমে শুরুতে শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক কুশল পেরেরাকে সাজঘরে পাঠিয়ে ক্যারিয়ারের অভিষেক উইকেট পান শরিফুল ইসলাম। মোস্তাফিজের অফের বল ডিপ অনে স্কয়ার কাট করতে গিয়ে দ্বিতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মোস্তাফিজের বলে সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান দানুশকা গুনাথিলাকা। সাকিবের প্রথম শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন পাথুম নিসানকা। চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন লঙ্কান সহ-অধিনায়ক কুসল মেন্ডিস। মেহেদী হাসান মিরাজের বল মেন্ডিসের প্যাডে আঘাত করে। ফিল্ডারদের জোড়ালো আবেদনে আউট দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েছিলেন মেন্ডিস। কিন্তু পাল্টায়নি সিদ্ধান্ত। সাকিবের যাদুকরী ঘূর্ণিতে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হওয়ার আগে মাত্র ৬ রান করেন ধনাঞ্জয়া। ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন দাসুন শানাকা। মেহেদী হাসান মিরাজের বল সুইপ করে ছক্কা মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন শানাকা। প্রথম ম্যাচে বড় ইনিংস খেলতেও দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যর্থ হলেন ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা। মিরাজের তৃতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন হাসারঙ্গা। হাসারঙ্গার পর দ্রুত অষ্টম উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মুস্তাফিজের বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন আশেন বান্দারা। এর পর শ্রীলঙ্কা শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন মুস্তাফিজুর রহমান। তামিম ইকবালের হাতে ক্যাচ দিয়ে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন লাকসান সান্দাক্যান। এর পর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।