ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবারই হতে পারে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৩৪১ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে শুক্রবার (২১ মে) সকাল নাগাদ যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে। সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার (২০ মে) এমন খবর দিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা ও হামাসের রকেট হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর চাপ বাড়ছে।

খবরে বলা হয়, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন মিসরীয় কর্মকর্তারা। আর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোপনীয়ভাবে স্বীকার করেছে, তারা তাদের উদ্দেশ্য পূরণের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, যুদ্ধবিরতির কলাকৌশল প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন এটি কেবল সময়ের ব্যাপার।

এর আগে বাইডেন প্রশাসন আভাস দিয়েছিল যে চলতি সপ্তাহে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে।

সামরিক অভিযান বন্ধে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও হামাস নেতাদের চাপ দিতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিসর, কাতার ও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ।

তবে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনকে অনিশ্চিত অবস্থায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। যদিও তারা উত্তেজনা উসকে দিতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।

বুধবার (২০ মে) এক ফোনালাপে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হতে নেতানিয়াহুকে বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত ১০ মে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দুনেতার মধ্যে এটি চতুর্থ ফোনালাপ বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

শুক্রবারই হতে পারে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি

আপডেট সময় : ১১:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে শুক্রবার (২১ মে) সকাল নাগাদ যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে। সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার (২০ মে) এমন খবর দিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা ও হামাসের রকেট হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর চাপ বাড়ছে।

খবরে বলা হয়, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন মিসরীয় কর্মকর্তারা। আর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোপনীয়ভাবে স্বীকার করেছে, তারা তাদের উদ্দেশ্য পূরণের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, যুদ্ধবিরতির কলাকৌশল প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন এটি কেবল সময়ের ব্যাপার।

এর আগে বাইডেন প্রশাসন আভাস দিয়েছিল যে চলতি সপ্তাহে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে।

সামরিক অভিযান বন্ধে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও হামাস নেতাদের চাপ দিতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিসর, কাতার ও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ।

তবে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনকে অনিশ্চিত অবস্থায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। যদিও তারা উত্তেজনা উসকে দিতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।

বুধবার (২০ মে) এক ফোনালাপে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হতে নেতানিয়াহুকে বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত ১০ মে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দুনেতার মধ্যে এটি চতুর্থ ফোনালাপ বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।