ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লুঙ্গি দিয়ে সিসি ক্যামেরা ঢেকে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক পেটালেন শিক্ষক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

দিয়ে সিসি ক্যামেরা ঢেকে চার শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে মাদারীপুরে শাহমাদার দরগা শরীফ মাদরাসার হুজুর বেলাল হোসাইনের বিরুদ্ধে। মারপিটের দৃশ্য যেন রেকর্ড না হয়, সেজন্য নি‌জের লু‌ঙ্গি দি‌য়ে সিসি ক্যামেরা ঢেকে রাখেন তি‌নি।

শুক্রবার আসর নামাজের পর চার শিক্ষার্থীকে এভাবে মারধর করেন শিক্ষক বেলাল হোসাইন। এ সময় দুই শিক্ষার্থী বাধ্য হয় পালিয়ে বাড়ি চলে যায়। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীরা হলো ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম বাথলা গ্রামের শাহাদাৎ বেপারীর ছে‌লে আসিফ বেপারী (১০) ও আয়নাল বেপারীর ছে‌লে সাকিব মোল্লা (১২)। একই উপজলার রাজার চরের রাজু ও কালকিনি উপ‌জেলার খাসের হাট গ্রামের সাইফুল। তারা সবাই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এই ঘটনার পর পালিয়ে‌ছেন ওই শিক্ষক।

এ বিষয়ে মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন বিষয়টি অনাকাঙ্খিত বলে দাবি করেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল হো‌সেন মিঞা বিষয়টি জানেন না বলে জানি‌য়ে‌ছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

লুঙ্গি দিয়ে সিসি ক্যামেরা ঢেকে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক পেটালেন শিক্ষক

আপডেট সময় : ১১:১৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

দিয়ে সিসি ক্যামেরা ঢেকে চার শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে মাদারীপুরে শাহমাদার দরগা শরীফ মাদরাসার হুজুর বেলাল হোসাইনের বিরুদ্ধে। মারপিটের দৃশ্য যেন রেকর্ড না হয়, সেজন্য নি‌জের লু‌ঙ্গি দি‌য়ে সিসি ক্যামেরা ঢেকে রাখেন তি‌নি।

শুক্রবার আসর নামাজের পর চার শিক্ষার্থীকে এভাবে মারধর করেন শিক্ষক বেলাল হোসাইন। এ সময় দুই শিক্ষার্থী বাধ্য হয় পালিয়ে বাড়ি চলে যায়। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীরা হলো ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম বাথলা গ্রামের শাহাদাৎ বেপারীর ছে‌লে আসিফ বেপারী (১০) ও আয়নাল বেপারীর ছে‌লে সাকিব মোল্লা (১২)। একই উপজলার রাজার চরের রাজু ও কালকিনি উপ‌জেলার খাসের হাট গ্রামের সাইফুল। তারা সবাই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এই ঘটনার পর পালিয়ে‌ছেন ওই শিক্ষক।

এ বিষয়ে মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন বিষয়টি অনাকাঙ্খিত বলে দাবি করেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল হো‌সেন মিঞা বিষয়টি জানেন না বলে জানি‌য়ে‌ছেন।