ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে পরিবারকে তালাবন্ধ রেখে ধর্ষিতার দেহ দাহ করল পুলিশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

পরিবারকে ঘরে তালাবন্ধ করে ধর্ষিতার দেহ দাহ করল পুলিশ। উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে চরম অমানবিকতার অভিযোগ উঠল।
ফের উত্তর প্রদেশ পুলিশের কদর্য চেহারা বাইরে বেরিয়ে পড়ল। ১৫ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর মঙ্গলবার মৃত্যু হয়েছে হাথরসে ১৯ বছরের ধর্ষিতা নারীর। অভিযোগ, তাঁর দেহ বাড়িতেই নিয়ে যেতে দেয়নি পুলিশ। পরিবারের সকলকে ঘরে তালাবন্ধ করে রেখে রাত আড়াইটের সময় তাঁর দেহ সৎকার করেছে পুলিশ। যা নিয়ে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

১৫ দিন আগে মা এবং ভাই বোনদের সঙ্গে ক্ষেতে কাজ করতে গিয়েছিলেন হাথরসের ওই দলিত কন্যা। সেখানেই চারজন উচ্চবর্ণের যুবক তাঁকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পাশাপাশি তাঁর উপর তীব্র অত্যাচারও চালানো হয়। কেটে দেওয়া হয় জিভ। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর প্রথমে এফআইআর নিতে চায়নি পুলিশ। পরে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হলে পুলিশ এফআইআর গ্রহণ করে। চার অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়।

উত্তর প্রদেশে চিকিৎসায় সাড়া না দেওয়ায় ওই নারীকে দিল্লির এইমস-এ নিয়ে আসা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু তার পরেও বিতর্ক থামেনি। ধর্ষিতার পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর পরে দেহ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। পরিবারের হাতে তা তুলে দেওয়া হচ্ছিল না। এর প্রতিবাদে থানার সামনে ধর্নায় বসে পড়েন ধর্ষিতার আত্মীয় এবং গ্রামের মানুষেরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেহ পরিবারের হাতে দিতে পুলিশ রাজি হয়। পরিবার জানিয়ে দেয়, বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ধর্ষিতার দেহ সৎকার করা হবে না। এ নিয়ে ফের পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয়।DW

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে পরিবারকে তালাবন্ধ রেখে ধর্ষিতার দেহ দাহ করল পুলিশ

আপডেট সময় : ০৯:৩১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

পরিবারকে ঘরে তালাবন্ধ করে ধর্ষিতার দেহ দাহ করল পুলিশ। উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে চরম অমানবিকতার অভিযোগ উঠল।
ফের উত্তর প্রদেশ পুলিশের কদর্য চেহারা বাইরে বেরিয়ে পড়ল। ১৫ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর মঙ্গলবার মৃত্যু হয়েছে হাথরসে ১৯ বছরের ধর্ষিতা নারীর। অভিযোগ, তাঁর দেহ বাড়িতেই নিয়ে যেতে দেয়নি পুলিশ। পরিবারের সকলকে ঘরে তালাবন্ধ করে রেখে রাত আড়াইটের সময় তাঁর দেহ সৎকার করেছে পুলিশ। যা নিয়ে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

১৫ দিন আগে মা এবং ভাই বোনদের সঙ্গে ক্ষেতে কাজ করতে গিয়েছিলেন হাথরসের ওই দলিত কন্যা। সেখানেই চারজন উচ্চবর্ণের যুবক তাঁকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পাশাপাশি তাঁর উপর তীব্র অত্যাচারও চালানো হয়। কেটে দেওয়া হয় জিভ। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর প্রথমে এফআইআর নিতে চায়নি পুলিশ। পরে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হলে পুলিশ এফআইআর গ্রহণ করে। চার অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়।

উত্তর প্রদেশে চিকিৎসায় সাড়া না দেওয়ায় ওই নারীকে দিল্লির এইমস-এ নিয়ে আসা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু তার পরেও বিতর্ক থামেনি। ধর্ষিতার পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর পরে দেহ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। পরিবারের হাতে তা তুলে দেওয়া হচ্ছিল না। এর প্রতিবাদে থানার সামনে ধর্নায় বসে পড়েন ধর্ষিতার আত্মীয় এবং গ্রামের মানুষেরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেহ পরিবারের হাতে দিতে পুলিশ রাজি হয়। পরিবার জানিয়ে দেয়, বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ধর্ষিতার দেহ সৎকার করা হবে না। এ নিয়ে ফের পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয়।DW