ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজ মাদ্রাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত আল্লামা শফী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যিবাহী কওমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাটহাজারীর ‘আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা’র প্রাঙ্গনেই শেষ ঠিকানা হলো প্রতিষ্ঠানটির সদ্য সাবেক মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর। যে প্রতিষ্ঠানে ১৯৮৬ সাল থেকে জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত প্রায় ৩৪ বছর ধরে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই প্রতিষ্ঠান প্রঙ্গণেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনি।

শনিবার দুপুরে জানাজা শেষে তাকে মাদ্রাসার কবরস্থান ‘মাক্ববেরায়ে জামিয়া’তে তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে, আজ সকালেই হাটহাজারী মাদ্রাসা প্রঙ্গণে শাহ আহমদ শফীর মরদেহ রাখা হয়। সেখানে শেষবারের মতো তাকে দেখেছেন মাদ্রাসার বর্তমান ও সাবেক ছাত্ররা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্ত এবং আলেমরা। এরপর জোহরের নামাজ শেষে আহমদ শফির বড় ছেলে ও রাঙ্গুনিয়া পাখিয়ারটিলা কওমি মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ মাদানি তার পিতার জানাজা পড়ান। এরপরেই তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

ছাত্রবিক্ষোভের জেরে গত বৃহস্পতিবার ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে মজলিসে শূরার বৈঠকে মাদ্রাসার মহাপরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন শাহ আহমদ শফী। এরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই দিন রাত ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্সে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা অবনতি হলে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে ঢাকার আসগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। ঢাকা থেকে শেষবারের মতো গোসল ও কাফনের কাপড়ে ঢেকে নিজ জন্মভূমিতে যান প্রখ্যাত এই আলেম।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজ মাদ্রাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত আল্লামা শফী

আপডেট সময় : ০৫:০৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যিবাহী কওমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাটহাজারীর ‘আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা’র প্রাঙ্গনেই শেষ ঠিকানা হলো প্রতিষ্ঠানটির সদ্য সাবেক মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর। যে প্রতিষ্ঠানে ১৯৮৬ সাল থেকে জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত প্রায় ৩৪ বছর ধরে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই প্রতিষ্ঠান প্রঙ্গণেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনি।

শনিবার দুপুরে জানাজা শেষে তাকে মাদ্রাসার কবরস্থান ‘মাক্ববেরায়ে জামিয়া’তে তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে, আজ সকালেই হাটহাজারী মাদ্রাসা প্রঙ্গণে শাহ আহমদ শফীর মরদেহ রাখা হয়। সেখানে শেষবারের মতো তাকে দেখেছেন মাদ্রাসার বর্তমান ও সাবেক ছাত্ররা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্ত এবং আলেমরা। এরপর জোহরের নামাজ শেষে আহমদ শফির বড় ছেলে ও রাঙ্গুনিয়া পাখিয়ারটিলা কওমি মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ মাদানি তার পিতার জানাজা পড়ান। এরপরেই তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

ছাত্রবিক্ষোভের জেরে গত বৃহস্পতিবার ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে মজলিসে শূরার বৈঠকে মাদ্রাসার মহাপরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন শাহ আহমদ শফী। এরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই দিন রাত ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্সে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা অবনতি হলে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে ঢাকার আসগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। ঢাকা থেকে শেষবারের মতো গোসল ও কাফনের কাপড়ে ঢেকে নিজ জন্মভূমিতে যান প্রখ্যাত এই আলেম।