ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • ৪৫২ বার পড়া হয়েছে

উস্কানি ও চাপ দেয়ার নীতি বন্ধ না করলে তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গ্রিসের সঙ্গে বিরোধের জেরে তুরস্কের প্রতি এমন হুঁশিয়ারি দেয় ইইউ।

বৃহস্পতিবার বৈঠক শেষে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন তুরস্ককে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান।

বৈঠকে ইইউ সদস্যরা ডিসেম্বরে তুরস্কের আচরণ পর্যালোচনায় একমত হয়েছে। যদি উস্কানি বন্ধ না হয় তাহলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ এলাকায় তুরস্ক একটি জাহাজ পাঠালে গ্রিসের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত হয়। টানা উত্তেজনার পর তুরস্কের সঙ্গে গ্রিস একটি সামরিক হটলাইন স্থাপনে সম্মত হয়েছে।

শুক্রবার ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন সাংবাদিকদের বলেন, ইইউ তুরস্কের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায়।

তিনি বলেন, কিন্তু এটি তখনই কাজে আসবে যখন তুরস্কের উসকানি ও চাপ বন্ধ হবে। আশা করি তুরস্ক যেকোনও একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে বিরত থাকবে। যদি তুরস্ক কোন পদক্ষেপ নেয় তাহলে সম্ভাব্য সব বিকল্প বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবে ইইউ। এদিকে অস্ট্রিয়ান চ্যান্সেলর সেবাস্টিয়ান কুর্জ টুইটারে লিখেছেন, ইইউ তুরস্কের বিরুদ্ধে স্পষ্ট করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে। তুরস্কের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা উচিত হবে না।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

আপডেট সময় : ০৯:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

উস্কানি ও চাপ দেয়ার নীতি বন্ধ না করলে তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গ্রিসের সঙ্গে বিরোধের জেরে তুরস্কের প্রতি এমন হুঁশিয়ারি দেয় ইইউ।

বৃহস্পতিবার বৈঠক শেষে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন তুরস্ককে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান।

বৈঠকে ইইউ সদস্যরা ডিসেম্বরে তুরস্কের আচরণ পর্যালোচনায় একমত হয়েছে। যদি উস্কানি বন্ধ না হয় তাহলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ এলাকায় তুরস্ক একটি জাহাজ পাঠালে গ্রিসের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত হয়। টানা উত্তেজনার পর তুরস্কের সঙ্গে গ্রিস একটি সামরিক হটলাইন স্থাপনে সম্মত হয়েছে।

শুক্রবার ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন সাংবাদিকদের বলেন, ইইউ তুরস্কের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায়।

তিনি বলেন, কিন্তু এটি তখনই কাজে আসবে যখন তুরস্কের উসকানি ও চাপ বন্ধ হবে। আশা করি তুরস্ক যেকোনও একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে বিরত থাকবে। যদি তুরস্ক কোন পদক্ষেপ নেয় তাহলে সম্ভাব্য সব বিকল্প বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবে ইইউ। এদিকে অস্ট্রিয়ান চ্যান্সেলর সেবাস্টিয়ান কুর্জ টুইটারে লিখেছেন, ইইউ তুরস্কের বিরুদ্ধে স্পষ্ট করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে। তুরস্কের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা উচিত হবে না।