ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুম মিটিংয়ের বিল ৫৭ লাখ, ব্যাখ্যা চাইলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৪৩৯ বার পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অনলাইনে মিটিং (জুম মিটিং) করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) ৫৭ লাখ টাকা খরচ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

দেশের সব উন্নয়ন প্রকল্পের আর্থিক ও কাজের মানের যথার্থতা যাচাইয়ের সরকারের একমাত্র প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের কারণে আইএমইডি সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহর কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমি এর মধ্যে আইএমইডি সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছি। যখন মানুষ মিটিংয়ে উপস্থিত হয়ে মিটিং করত, সে বিবেচনায় পেমেন্ট করেছে। ওই সময়ের পেমেন্ট করা হয়েছে এবং এগুলোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনও আছে। এটা আমাকে সচিব জানিয়েছেন। যে কয়েকটা পেমেন্ট হয়েছে, সব করোনার আগে। করোনার পরে কিছু পেমেন্ট হয়েছে, সেটার বিস্তারিত রিপোর্ট আমাকে জানাবে। আমি তারপরও সচিবের কাছ থেকে লিখিত রিপোর্ট চেয়েছি।’

এর আগে একটি ইংরেজি দৈনিক এ বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরিকল্পনামন্ত্রী অবশ্য দাবি করেছেন, তথ্যগুলো সঠিক নয়।

আইএমইডির জুম মিটিংয়ে খরচ বাবদ যে হিসাব দেখিয়েছে, তাতে বাইরের একটি প্রতিষ্ঠান এই জুম মিটিংয়ের আয়োজন করায় নিয়েছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। এ ছাড়া মিটিংয়ের খাবার বিল দেখানো হয়েছে ৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা। কলম, ফোল্ডার, প্যাড, ব্যাগ ইত্যাদি খরচ দেখিয়েও বিল করা হয়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

জুম মিটিংয়ের বিল ৫৭ লাখ, ব্যাখ্যা চাইলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অনলাইনে মিটিং (জুম মিটিং) করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) ৫৭ লাখ টাকা খরচ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

দেশের সব উন্নয়ন প্রকল্পের আর্থিক ও কাজের মানের যথার্থতা যাচাইয়ের সরকারের একমাত্র প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের কারণে আইএমইডি সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহর কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমি এর মধ্যে আইএমইডি সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছি। যখন মানুষ মিটিংয়ে উপস্থিত হয়ে মিটিং করত, সে বিবেচনায় পেমেন্ট করেছে। ওই সময়ের পেমেন্ট করা হয়েছে এবং এগুলোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনও আছে। এটা আমাকে সচিব জানিয়েছেন। যে কয়েকটা পেমেন্ট হয়েছে, সব করোনার আগে। করোনার পরে কিছু পেমেন্ট হয়েছে, সেটার বিস্তারিত রিপোর্ট আমাকে জানাবে। আমি তারপরও সচিবের কাছ থেকে লিখিত রিপোর্ট চেয়েছি।’

এর আগে একটি ইংরেজি দৈনিক এ বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরিকল্পনামন্ত্রী অবশ্য দাবি করেছেন, তথ্যগুলো সঠিক নয়।

আইএমইডির জুম মিটিংয়ে খরচ বাবদ যে হিসাব দেখিয়েছে, তাতে বাইরের একটি প্রতিষ্ঠান এই জুম মিটিংয়ের আয়োজন করায় নিয়েছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। এ ছাড়া মিটিংয়ের খাবার বিল দেখানো হয়েছে ৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা। কলম, ফোল্ডার, প্যাড, ব্যাগ ইত্যাদি খরচ দেখিয়েও বিল করা হয়েছে।