ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনার মধ্যেই চীনে নতুন ভাইরাসের সন্ধান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৫০৫ বার পড়া হয়েছে

নভেল করোনাভাইরাসের আতঙ্কে এখনো বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। প্রতিদিনই সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এরই মধ্যে চীনের বিজ্ঞানীরা নতুন একটি ভাইরাসের খোঁজ পেয়েছেন। যার দ্বারা ফ্লু জাতীয় রোগ হয় এবং যা মহামারি আকার ধারণ করার সক্ষমতা রাখে।

গবেষকদের বরাত দিয়ে বিবিস বাংলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এটা শুয়োর থেকে এসেছে এবং এটার মানবদেহে সংক্রমণ করার সক্ষমতা আছে।

গবেষকরা বলছেন, এটাও করোনাভাইরাসের মতো নিজেদের পরিবর্তন করতে পারে এবং মানবদেহে সংক্রমণ হতে পারে। এটা বৈশ্বিক মহামারিও ঘটাতে পারে।

যদিও এটা তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যা নয়। তবু একটা কড়া নজরদারিতে রাখা হচ্ছে যাতে মানুষের মধ্যে না ছড়ায়। বিশেষজ্ঞরা যেসব ভাইরাসকে আশঙ্কাজনক মনে করছেন তার মধ্যে একটি ফ্লু জাতীয় রোগ ঘটাতে পারে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেই এটার খোঁজ পেয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।

২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বে। মেক্সিকো থেকে শুরু হয় এটি, তবে এর ভয়াবহতা অনুমানের চেয়ে কম ছিল। এর একটা বড় কারণ এটি এমন একটি ভাইরাস যা আগেও মানুষের দেহে এসেছিল এবং মানুষের দেহে একটা ইম্যুনিটি তৈরি হয়ে গেছে। তবে সেই ভাইরাস দমনে একটি ফ্লু ভ্যাকসিনও ব্যবহার করা হচ্ছে।

২০০৯ সালের এই ফ্লু ভাইরাসের সঙ্গে চীনের নতুন ভাইরাসের সাদৃশ্য আছে, তবে কিছু পরিবর্তনও আছে। যদিও এটি এখনো বড় কোনো ঝুঁকি হিসেবে আবির্ভাব হয়নি, তবু এটা নিয়ে কাজ করা প্রফেসর কিন-চৌ চ্যাং এবং তার সতীর্থরা বলছেন, একটা নজর রাখা জরুরি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনার মধ্যেই চীনে নতুন ভাইরাসের সন্ধান

আপডেট সময় : ১১:৩০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

নভেল করোনাভাইরাসের আতঙ্কে এখনো বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। প্রতিদিনই সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এরই মধ্যে চীনের বিজ্ঞানীরা নতুন একটি ভাইরাসের খোঁজ পেয়েছেন। যার দ্বারা ফ্লু জাতীয় রোগ হয় এবং যা মহামারি আকার ধারণ করার সক্ষমতা রাখে।

গবেষকদের বরাত দিয়ে বিবিস বাংলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এটা শুয়োর থেকে এসেছে এবং এটার মানবদেহে সংক্রমণ করার সক্ষমতা আছে।

গবেষকরা বলছেন, এটাও করোনাভাইরাসের মতো নিজেদের পরিবর্তন করতে পারে এবং মানবদেহে সংক্রমণ হতে পারে। এটা বৈশ্বিক মহামারিও ঘটাতে পারে।

যদিও এটা তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যা নয়। তবু একটা কড়া নজরদারিতে রাখা হচ্ছে যাতে মানুষের মধ্যে না ছড়ায়। বিশেষজ্ঞরা যেসব ভাইরাসকে আশঙ্কাজনক মনে করছেন তার মধ্যে একটি ফ্লু জাতীয় রোগ ঘটাতে পারে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেই এটার খোঁজ পেয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।

২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বে। মেক্সিকো থেকে শুরু হয় এটি, তবে এর ভয়াবহতা অনুমানের চেয়ে কম ছিল। এর একটা বড় কারণ এটি এমন একটি ভাইরাস যা আগেও মানুষের দেহে এসেছিল এবং মানুষের দেহে একটা ইম্যুনিটি তৈরি হয়ে গেছে। তবে সেই ভাইরাস দমনে একটি ফ্লু ভ্যাকসিনও ব্যবহার করা হচ্ছে।

২০০৯ সালের এই ফ্লু ভাইরাসের সঙ্গে চীনের নতুন ভাইরাসের সাদৃশ্য আছে, তবে কিছু পরিবর্তনও আছে। যদিও এটি এখনো বড় কোনো ঝুঁকি হিসেবে আবির্ভাব হয়নি, তবু এটা নিয়ে কাজ করা প্রফেসর কিন-চৌ চ্যাং এবং তার সতীর্থরা বলছেন, একটা নজর রাখা জরুরি।