ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালের পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • ৩৫৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির অনুরোধে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবি ভান্ডারি।
রোববার সকালে মন্ত্রিসভার সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর প্রেসিডেন্টের কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
২০১৭ সালে নেপালের পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই পার্লামেন্টের মেয়াদ ছিল ২০২২ সাল পর্যন্ত।

রোববার প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবি আগাম নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী আগামী বছরের ৩০ এপ্রিল ও ১০ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, কনিস্টিটিউশনাল কাউন্সিল অ্যাক্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অধ্যাদেশ নিয়ে ক্রমাগত চাপ বাড়ছিল প্রধানমন্ত্রী ওলির উপর। এতে বলা হয়েছে, মাত্র তিনজন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী। গত মঙ্গলবার প্রেসিডেন্টকে দিয়ে অধ্যাদেশে সই করিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। এ ঘটনায় খোদ নিজের দলের মধ্যেই সমালোচনার কেন্দ্রে ছিলেন ওলি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালের পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির অনুরোধে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবি ভান্ডারি।
রোববার সকালে মন্ত্রিসভার সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর প্রেসিডেন্টের কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
২০১৭ সালে নেপালের পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই পার্লামেন্টের মেয়াদ ছিল ২০২২ সাল পর্যন্ত।

রোববার প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবি আগাম নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী আগামী বছরের ৩০ এপ্রিল ও ১০ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, কনিস্টিটিউশনাল কাউন্সিল অ্যাক্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অধ্যাদেশ নিয়ে ক্রমাগত চাপ বাড়ছিল প্রধানমন্ত্রী ওলির উপর। এতে বলা হয়েছে, মাত্র তিনজন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী। গত মঙ্গলবার প্রেসিডেন্টকে দিয়ে অধ্যাদেশে সই করিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। এ ঘটনায় খোদ নিজের দলের মধ্যেই সমালোচনার কেন্দ্রে ছিলেন ওলি।