ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩
  • ৫১৬ বার পড়া হয়েছে

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০২১ সালে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে। এ বছরের মধ্যেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফোরজি মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিটিসিএল আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২০ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আজকের বাংলাদেশে একটি ছোট শিশুও ইন্টারনেট দাবি করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডিজিটালাইজেশনের আদর্শের পথ ধরে গত ১১ বছরে সূচিত ডিজিটাল বিপ্লব বিস্ময়কর। ২০০৮ সালেও দেশে আট জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহার হতো এবং ব্যবহারকারী ছিল মাত্র আট লাখ। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিকনির্দেশনায় ডিজিটালাইজেশনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। দেশে আজ ১৭০০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহৃত হচ্ছে এবং দেশে ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা হাজার বছরের পরাধীন বাঙালি জাতিকে কেবলমাত্র স্বাধীনতাই দেননি, তিনি যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আইটিইউ, ইউপিইউ এবং বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ডিজিটালাইজেশনে বীজ বপন করে গেছেন। আর তার রক্তের সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বে সেই বীজ আজ বিশাল মহিরুহে রূপ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিস্ময়কর নেতৃত্বের একজন মহামানব। এ ভূ-খণ্ডের গোটা জনগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী নেতৃত্ব অন্ধের মতো অনুসরণ করেছে। তার নেতৃত্বের গুণাবলী বিশ্বের কোনো নেতা অর্জন করতে পারেনি। একজন বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করলে মর্যাদাপূর্ণ উন্নত জীবন গঠনের জন্য আর কাউকে জীবনের হিরো হিসেবে অনুসরণ করার প্রয়োজন হবে না।

মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু দুটি অমূল্য রত্ন আমাদের জন্য রেখে গেছেন- একটি স্বাধীনতা আর একটি হল তার সুযোগ্য সন্তান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. রফিকুল মতিনের সভাপতিত্বে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. নূর-উর-রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধু গবেষক কাজী সাজ্জাত আলী জহির।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহাজাহান মাহমুদ, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও এর অধীন সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে

আপডেট সময় : ০৫:০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০২১ সালে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে। এ বছরের মধ্যেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফোরজি মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিটিসিএল আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২০ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আজকের বাংলাদেশে একটি ছোট শিশুও ইন্টারনেট দাবি করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডিজিটালাইজেশনের আদর্শের পথ ধরে গত ১১ বছরে সূচিত ডিজিটাল বিপ্লব বিস্ময়কর। ২০০৮ সালেও দেশে আট জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহার হতো এবং ব্যবহারকারী ছিল মাত্র আট লাখ। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিকনির্দেশনায় ডিজিটালাইজেশনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। দেশে আজ ১৭০০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহৃত হচ্ছে এবং দেশে ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা হাজার বছরের পরাধীন বাঙালি জাতিকে কেবলমাত্র স্বাধীনতাই দেননি, তিনি যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আইটিইউ, ইউপিইউ এবং বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ডিজিটালাইজেশনে বীজ বপন করে গেছেন। আর তার রক্তের সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বে সেই বীজ আজ বিশাল মহিরুহে রূপ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিস্ময়কর নেতৃত্বের একজন মহামানব। এ ভূ-খণ্ডের গোটা জনগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী নেতৃত্ব অন্ধের মতো অনুসরণ করেছে। তার নেতৃত্বের গুণাবলী বিশ্বের কোনো নেতা অর্জন করতে পারেনি। একজন বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করলে মর্যাদাপূর্ণ উন্নত জীবন গঠনের জন্য আর কাউকে জীবনের হিরো হিসেবে অনুসরণ করার প্রয়োজন হবে না।

মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু দুটি অমূল্য রত্ন আমাদের জন্য রেখে গেছেন- একটি স্বাধীনতা আর একটি হল তার সুযোগ্য সন্তান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. রফিকুল মতিনের সভাপতিত্বে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. নূর-উর-রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধু গবেষক কাজী সাজ্জাত আলী জহির।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহাজাহান মাহমুদ, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও এর অধীন সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।