লেবাননের রাজধানী বৈরুতে প্রচণ্ড দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছ। মঙ্গলবারের এঘটনায় অন্তত ৭৩ জন নিহত ও ৩হাজার ৭০০ জন আহত হয়েছে। রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যে দুটি বিস্ফোরণ শহরটির বন্দর অঞ্চলকে নাড়া দিয়েছে, তা লেবাননের বৃহত্তম নগর অঞ্চল।
বিস্ফোরণের পর পরই হতাহতদের চিকিৎসার জন্য জরুরীভিত্তিতে রক্ত সংগ্রহে নেমেছে দেশটির রেড ক্রস। এক টুইট বার্তায় সংস্থাটি বলে, ‘বৈরুত বন্দরে বিস্ফোরণে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য সকল ধরনের রক্তদানের জন্য ‘জরুরি আহ্বান’ জানানো হচ্ছে’। লেবানিজ রেড ক্রস কর্মকর্তা জর্জেজ কাট্টানেহকে উদ্ধৃত করে মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, ‘আহত ও নিহত মিলিয়ে হতাহত কয়েকশ। এর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে’।
লেবাননের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান আব্বাস ইব্রাহিম বলেন, বৈরুতের বন্দর এলাকায় দুটি বিস্ফোরণ ঘটেছে এমন একটি অংশে, যেখানে প্রচুর বিস্ফোরক পদার্থ ছিলো।
তিনি বলেন, ‘আশংকা করা হচ্ছে বিস্ফোরণে হতাহতের সংখ্যা দীর্ঘ হতে পারে। আরো অনেক মানুষ নিখোঁজ আছেন। উদ্ধার কাজ চলছে’।
এএফপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামরা বাণিজ্যিক এলাকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, পুরো দোকানপাট ধ্বংস হয়ে গেছে, জানালাগুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে এবং অনেক গাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে।

ঘটনাস্থল থেকে একজন টুইট করে জানিয়েছেন, “বিল্ডিং কাঁপছে,” অন্য একজন লিখেছেন: “একটি বিশাল, বধির বিস্ফোরণ কেবল বৈরুতকে ঘিরে রেখেছে।
লেবাননের একটি সংবাদপত্র অফিসের অনলাইন ফুটেজে দেখানো হয়েছে উইন্ডোজ, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আসবাব এবং ভেঙে দেওয়া অভ্যন্তর প্যানেলিং।
এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট মাইকেল আউন সেনাবাহিনীকে বৈরুতের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় টহল দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বিস্ফোরণের ঘটনায় লেবাননের বুধবার (৫ জুলাই) জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেছেন দেশটির সরকার প্রধান।
প্রতিনিধির নাম 













