ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১টি ফ্যান ও লাইটের বিদ্যুৎ বিল ২৬ লাখ টাকা!

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৬২৩ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়ায় এক সাইকেল মেকানিকের দোকানে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ১১৪ টাকা! এ ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের আলোচনা এখন ‘টক অব দ্য কিশোরগঞ্জ’।

উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের শিমুলিয়া চৌরাস্তা বাজারের এমএ তুহিন কামালের সাইকেল মেকানিকের দোকানে এ বিল এসেছে। পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলের এমন রেকর্ড দেখে হতবাক স্থানীয়রা।

এমএ তুহিন কামাল গণমাধ্যমকে জানান, তার মেকানিকের দোকানে ১টি ফ্যান ও ১টি লাইট ব্যবহার হয়। এত তার মসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আসে। কিন্তু জুলাই মাসে এসে জুন মাসের যে বিল দেয়া হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ২৩ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯০ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ যার মূল্য ধরা হয়েছে ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ১১৪ টাকা।

স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নাইমুল হাসান গণমাধ্যমের কাছে এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটিকে স্রেফ ‘ডাটা এন্ট্রি মিসটেক’ ।

কিশোরগঞ্জ জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোহা. আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের ’গ্রেট মিসটেক’র জন্য দায়ী ও-ই অফিসের বিলিং সহকারী শামসুন্নাহারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

১টি ফ্যান ও লাইটের বিদ্যুৎ বিল ২৬ লাখ টাকা!

আপডেট সময় : ১১:৩৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়ায় এক সাইকেল মেকানিকের দোকানে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ১১৪ টাকা! এ ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের আলোচনা এখন ‘টক অব দ্য কিশোরগঞ্জ’।

উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের শিমুলিয়া চৌরাস্তা বাজারের এমএ তুহিন কামালের সাইকেল মেকানিকের দোকানে এ বিল এসেছে। পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলের এমন রেকর্ড দেখে হতবাক স্থানীয়রা।

এমএ তুহিন কামাল গণমাধ্যমকে জানান, তার মেকানিকের দোকানে ১টি ফ্যান ও ১টি লাইট ব্যবহার হয়। এত তার মসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আসে। কিন্তু জুলাই মাসে এসে জুন মাসের যে বিল দেয়া হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ২৩ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯০ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ যার মূল্য ধরা হয়েছে ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ১১৪ টাকা।

স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নাইমুল হাসান গণমাধ্যমের কাছে এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটিকে স্রেফ ‘ডাটা এন্ট্রি মিসটেক’ ।

কিশোরগঞ্জ জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোহা. আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের ’গ্রেট মিসটেক’র জন্য দায়ী ও-ই অফিসের বিলিং সহকারী শামসুন্নাহারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।