ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংক্রমণে রাশিয়াকেও ছাড়িয়ে গেল ভারত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৫০১ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের যেসব দেশে করোনা সর্বোচ্চ হানা দিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত তার অন্যতম। প্রতিদিনের রেকর্ড সংক্রমণে ইতিমধ্যে সেখানে ভুক্তভোগীর সংখ্যা ৭ লাখ ছুঁই ছুঁই। আর এতে করে রাশিয়াকে ছাড়িয়ে শীর্ষ তিনে এখন নরেন্দ্র মোদির দেশ। আক্রান্তদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ সুস্থ হলেও প্রাণহানি সাড়ে ১৯ হাজারের ছাড়িয়েছে।

দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ২৪৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি তিন রাজ্যের (মহারাষ্ট্র, দিল্লি ও তামিলনাড়ু)।

একইসময়ে প্রাণহানি ঘটেছে ৪২৫ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার ৬৯৩ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৮ লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ লাখের অধিক

ভারতে প্রাণহানির শীর্ষে বরাবরই মহারাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৫৫৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে এ রাজ্যে সংক্রমণ দুই লাখ ৬ হাজার ৬১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আর প্রাণহানি ঘটেছে ৮ হাজার ৮২২ জনের।

গত শনিবার এক লাখের গণ্ডি পেরিয়েছে তামিলনাড়ু। আর গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজারের বেশি বেড়ে আক্রান্ত ১ লাখ ১১ হাজার ১৫১জনে ঠেকেছে। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫১০ জনের।

আর রাজধানী দিল্লিতেও সংক্রমণ লাখ ছুঁই ছুঁই। যেখানে এ পর্যন্ত করোনার শিকার ৯৯ হাজার ৪৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। কেজরিওয়ালের রাজ্যে প্রাণহানি ৩ হাজার ৬৭ জন।

এছাড়া প্রতিনিয়ত সংক্রমণ বাড়ছে ৯টি প্রদেশে। এর মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, তেলেঙ্গা, কর্নাটক, পশ্চিবঙ্গ, ও রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলোতে।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে করোনার শিকার এখন পর্যন্ত ২২ হাজার ১২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭৫৭ জনের।

সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় বাজার-হাট, গণপরিবহনে বেড়েছে লোকের ভিড়। বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও। তাই, প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা।

তবে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়লেও, হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও স্বস্তি দিচ্ছে ভারতবাসীকে। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৫৩ হাজার ২৪৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪৫০ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ৪ লাখ ২৪ হাজার ৪৪৩ জন ভুক্তভোগী।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

সংক্রমণে রাশিয়াকেও ছাড়িয়ে গেল ভারত

আপডেট সময় : ১১:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

বিশ্বের যেসব দেশে করোনা সর্বোচ্চ হানা দিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত তার অন্যতম। প্রতিদিনের রেকর্ড সংক্রমণে ইতিমধ্যে সেখানে ভুক্তভোগীর সংখ্যা ৭ লাখ ছুঁই ছুঁই। আর এতে করে রাশিয়াকে ছাড়িয়ে শীর্ষ তিনে এখন নরেন্দ্র মোদির দেশ। আক্রান্তদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ সুস্থ হলেও প্রাণহানি সাড়ে ১৯ হাজারের ছাড়িয়েছে।

দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ২৪৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি তিন রাজ্যের (মহারাষ্ট্র, দিল্লি ও তামিলনাড়ু)।

একইসময়ে প্রাণহানি ঘটেছে ৪২৫ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার ৬৯৩ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৮ লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ লাখের অধিক

ভারতে প্রাণহানির শীর্ষে বরাবরই মহারাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৫৫৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে এ রাজ্যে সংক্রমণ দুই লাখ ৬ হাজার ৬১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আর প্রাণহানি ঘটেছে ৮ হাজার ৮২২ জনের।

গত শনিবার এক লাখের গণ্ডি পেরিয়েছে তামিলনাড়ু। আর গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজারের বেশি বেড়ে আক্রান্ত ১ লাখ ১১ হাজার ১৫১জনে ঠেকেছে। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫১০ জনের।

আর রাজধানী দিল্লিতেও সংক্রমণ লাখ ছুঁই ছুঁই। যেখানে এ পর্যন্ত করোনার শিকার ৯৯ হাজার ৪৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। কেজরিওয়ালের রাজ্যে প্রাণহানি ৩ হাজার ৬৭ জন।

এছাড়া প্রতিনিয়ত সংক্রমণ বাড়ছে ৯টি প্রদেশে। এর মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, তেলেঙ্গা, কর্নাটক, পশ্চিবঙ্গ, ও রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলোতে।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে করোনার শিকার এখন পর্যন্ত ২২ হাজার ১২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭৫৭ জনের।

সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় বাজার-হাট, গণপরিবহনে বেড়েছে লোকের ভিড়। বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও। তাই, প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা।

তবে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়লেও, হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও স্বস্তি দিচ্ছে ভারতবাসীকে। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৫৩ হাজার ২৪৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪৫০ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ৪ লাখ ২৪ হাজার ৪৪৩ জন ভুক্তভোগী।