ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেঁচে ফেরা ভারতীয় সেনার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৫৫১ বার পড়া হয়েছে

লাদাখের গলওয়ান ঘাঁটিতে হওয়া ভারত-চীন সেনাদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জওয়ান সুরেন্দ্র সিং আহত হন। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে লাদাখের সেনা হাসপাতালে। প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে তাঁর জ্ঞান ফেরে। তারপরেই তিনি সেদিন রাতের ইন্দো-চীন যুদ্ধের গোটা ঘটনার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা জানালেন। এমনকি চিনের সমস্ত ষড়যন্ত্রের পর্দা ফাঁস করলেন তিনি।
সুরেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, গলওয়ান ঘাঁটি থেকে বের হওয়া নদীতেই হঠাৎ করে ভারতীয় সেনাদের ওপর চিনা সেনারা হামলা করে। ৪ থেকে ৫ ঘনটা ধরে এই ভয়াবহই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলতে থাকে নদীর মধ্যেই। এই সংঘর্ষ চলাকালীন ভারতের ২০০-এর কাছাকাছি সৈনিক সেখানে ছিলেন যেখানে চিনের প্রায় ১০০০-এরও বেশি সৈনিক উপস্থিত ছিলো।
ওই নদীতে হাড়-মাংস গলিয়ে দেওয়ার মতো ঠাণ্ডায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যুদ্ধ চলতে থাকে। তিনি জানিয়েছেন, যেখানে এই সমস্ত ঘটনাটি ঘটে সেই নদীর কিনারা দিয়ে মাত্র একজনই বের হতে পারতো সেই কারণেই ভারতীয় সেনারা সেভাবে জবাব দিতে হিমশিম খেয়েছিলেন। তাঁর কথায়, ভারতীয় সেনারাও ভালোভাবে এই সংঘর্ষের পাল্টা উত্তর দিতে পারতেন কিন্তু চিনের তরফ থেকে বিশ্বাসঘাতকতা করে এই হামলা ইচ্ছাকৃতভাবে ষড়যন্ত্র করে করা হয়েছে।
এদিন রাতের ঘটনায় পাঁচ ফুটের গভীর জলের মধ্যে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এই অবস্থা থেকেই সুরেন্দ্র সিং-কে অন্যান্য সেনারা এসে বাইরে বের করেন। তখনও পর্যন্ত তাঁর জ্ঞান ছিল, তারপর তিনি জ্ঞান হারান। সংঘর্ষের ফলে সুরেন্দ্র সিং-এর হাতে এবং মাথায় আঘাত লাগে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় লাদাখের সৈনিক হাসপাতালে। হাসপাতালেই ১২ ঘন্টা পরে তাঁর জ্ঞান ফেরে

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

বেঁচে ফেরা ভারতীয় সেনার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা

আপডেট সময় : ১১:২৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

লাদাখের গলওয়ান ঘাঁটিতে হওয়া ভারত-চীন সেনাদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জওয়ান সুরেন্দ্র সিং আহত হন। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে লাদাখের সেনা হাসপাতালে। প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে তাঁর জ্ঞান ফেরে। তারপরেই তিনি সেদিন রাতের ইন্দো-চীন যুদ্ধের গোটা ঘটনার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা জানালেন। এমনকি চিনের সমস্ত ষড়যন্ত্রের পর্দা ফাঁস করলেন তিনি।
সুরেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, গলওয়ান ঘাঁটি থেকে বের হওয়া নদীতেই হঠাৎ করে ভারতীয় সেনাদের ওপর চিনা সেনারা হামলা করে। ৪ থেকে ৫ ঘনটা ধরে এই ভয়াবহই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলতে থাকে নদীর মধ্যেই। এই সংঘর্ষ চলাকালীন ভারতের ২০০-এর কাছাকাছি সৈনিক সেখানে ছিলেন যেখানে চিনের প্রায় ১০০০-এরও বেশি সৈনিক উপস্থিত ছিলো।
ওই নদীতে হাড়-মাংস গলিয়ে দেওয়ার মতো ঠাণ্ডায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যুদ্ধ চলতে থাকে। তিনি জানিয়েছেন, যেখানে এই সমস্ত ঘটনাটি ঘটে সেই নদীর কিনারা দিয়ে মাত্র একজনই বের হতে পারতো সেই কারণেই ভারতীয় সেনারা সেভাবে জবাব দিতে হিমশিম খেয়েছিলেন। তাঁর কথায়, ভারতীয় সেনারাও ভালোভাবে এই সংঘর্ষের পাল্টা উত্তর দিতে পারতেন কিন্তু চিনের তরফ থেকে বিশ্বাসঘাতকতা করে এই হামলা ইচ্ছাকৃতভাবে ষড়যন্ত্র করে করা হয়েছে।
এদিন রাতের ঘটনায় পাঁচ ফুটের গভীর জলের মধ্যে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এই অবস্থা থেকেই সুরেন্দ্র সিং-কে অন্যান্য সেনারা এসে বাইরে বের করেন। তখনও পর্যন্ত তাঁর জ্ঞান ছিল, তারপর তিনি জ্ঞান হারান। সংঘর্ষের ফলে সুরেন্দ্র সিং-এর হাতে এবং মাথায় আঘাত লাগে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় লাদাখের সৈনিক হাসপাতালে। হাসপাতালেই ১২ ঘন্টা পরে তাঁর জ্ঞান ফেরে