ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় মারা গেলেন স্কয়ার হাসপাতালের পরিচালক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে

করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালের পরিচালক (মেডিকেল সার্ভিস) ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট মির্জা নাজিম উদ্দিন মারা গেছেন।

রোববার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রায় সপ্তাহ দুই আগে থেকে অসুস্থ ছিলেন মির্জা নাজিম উদ্দিন। তিনি ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্কয়ার হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তার স্ত্রী খালেদা ইয়াসমিন মির্জাও চিকিৎসক। এ দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন।

জানা গেছে, ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) থেকে পাস করেন। সবশেষ তিনি স্কয়ার হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ও আইসিইউ ডিরেক্টর (মেডিকেল সার্ভিস) হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। তিনি বিএমএর সদস্য ছিলেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Raihan

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনায় মারা গেলেন স্কয়ার হাসপাতালের পরিচালক

আপডেট সময় : ১১:২৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালের পরিচালক (মেডিকেল সার্ভিস) ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট মির্জা নাজিম উদ্দিন মারা গেছেন।

রোববার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রায় সপ্তাহ দুই আগে থেকে অসুস্থ ছিলেন মির্জা নাজিম উদ্দিন। তিনি ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্কয়ার হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তার স্ত্রী খালেদা ইয়াসমিন মির্জাও চিকিৎসক। এ দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন।

জানা গেছে, ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) থেকে পাস করেন। সবশেষ তিনি স্কয়ার হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ও আইসিইউ ডিরেক্টর (মেডিকেল সার্ভিস) হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। তিনি বিএমএর সদস্য ছিলেন।